দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় মাদক কারবারে জড়িত এক ব্যক্তিকে আটক করতে গিয়ে স্থানীয় জনতার একাংশের ‘মব’ বা মারমুখী আচরণের শিকার হয়েছে পুলিশ। একপর্যায়ে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অবরুদ্ধ পুলিশ সদস্যরা আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিমন ও তুহীন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লুৎফর হাকিমসহ হাতিবান্ধা থানা পুলিশের একটি দল ভবানীপুর এলাকার মৃত জসীম উদ্দিনের ছেলে মাদক কারবারি হামিদুলকে আটক করে। আটক হামিদুলের বিরুদ্ধে পূর্বের মাদক মামলা রয়েছে।
আটকের পর মাদক কারবারি হামিদুলকে নিয়ে আসার সময় হামিদুলের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কিছু লোক জড়ো হয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয় এবং প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে থানা থেকে অতিরিক্ত ফোর্স ঘটনাস্থলে রওনা দিলেও, তার আগেই পরিস্থিতি চরম অবনতি রূপ নেয়। তোপের মুখে পড়ে একপর্যায়ে পুলিশ হামিদুলকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলী অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এদিকে পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার এই ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি জায়েদুল হক বলেন, ‘হাতীবান্ধায় মাদক কারবারিরা একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তারা প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এর আগেও বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারিদের হামলায় পুলিশ সদস্য আহত হওয়া এবং আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।’
তিনি অবিলম্বে এই সিন্ডিকেট ভেঙে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলী জানান, পুলিশের হাতে আটক হামিদুলের বিরুদ্ধে আগের মাদক মামলা রয়েছে। আজ তাকে ধরতে গিয়ে পুলিশ যে বাধার সম্মুখীন হয়েছে, যারা মব সৃষ্টি করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
/অ